আমি কবে যে ভেসে উঠি অদৃশ্য আলোয়,
কোন নক্ষত্রের জ্বরে—
আমার বুক ভরে ওঠে অনামা ক্ষুধায়,
যেন অশ্রুত শব্দের পর্বত নেমে আসে ভেতরে।
আমি তো জানি না কেন আমার হাড়ে
পাখিরা ঝড় তোলে—
বাতাসে ছড়ায় অনির্বাণ হাহাকার,
আর দেহভরা ধুলোতে ঝিকমিক করে নির্বাসনের আগুন।
আমার হাতের ভেতর ঘুমিয়ে থাকে
অসংখ্য অনাহুত নদী,
সেগুলো রাতের কালো কালি ছিঁড়ে
প্রতিদিন নতুন চিঠি লেখে শূন্য আকাশের ঠিকানায়।
আমি হঠাৎই থেমে যাই,
কোনো নাম না-জানা দরজার কাছে দাঁড়িয়ে—
দেখি ভিতরে কেবল ছায়ার সিংহাসন,
আর আমি নতজানু হয়ে শুনি
নিজেকেই ছিন্নভিন্ন করার নীরব সঙ্গীত।
২৮.০৯.২০২৫, মালিপাড়া।